গরুর ভুঁড়ি বা বট পরিস্কার করার সহজ উপায়
বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতির তালিকায় অনেক রকম খাবার রয়েছে, এর মধ্যে একটি হচ্ছে গরুর ভুরি বা বট ভুনা। এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু খাবার, প্রতিটি বাঙালির এক কথায় প্রিয় খাবারের তালিকায় চলে আসে গরুর ভুরি ভুনা। বিশেষ করে গরম ভাত, রুটি বা চিতই পিঠার সাথে দারুণ একটা কম্বিনেশন। তবে ভুরি রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কষ্টকর কাজ হচ্ছে ভুঁড়ি পরিষ্কার করা।
ভুঁড়ি পরিষ্কার করা বেশ কষ্টকর এবং সময় সাপেক্ষ একটি কাজ।তাই অনেকেই ঝামেলার কাজ বলে এটি রান্না করতে চান না বা বাসায় আনতে চান না। ভুঁড়ি সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে একটা দুর্গন্ধ থেকে যায় এবং যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আজকে আমরা এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে বিস্তারিত আলোচনা করব কিভাবে খুব সহজে এবং কম সময়ে ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে ভুঁড়ি পরিষ্কার করা যায়।
সূচিপত্রঃ ভুঁড়ি পরিস্কার করার সমস্ত ধাপ গুলো আলোচনা করা হলো
- গরুর ভুঁড়ি পরিষ্কার করার গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
- পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপাদান
- ধাপ-১ প্রাথমিক প্রস্তুতি ও প্রাথমিক ধোয়া ধাপ
- ধাপ -২ ফুটন্ত গরম পানি সঠিক ব্যবহার ও কৌশল
- ধাপ -৩ চুন দিয়ে গরুর ভুঁড়ি পরিষ্কার করার প্রাচীন ও কার্যকরী নিয়ম
- ধাপ -৪ বেকিং সোডা ও ভিনেগার ব্যবহার করার আধুনিক পদ্ধতি
- ধাপ -৫ হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভুঁড়ির ভেতরের অংশ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্তকরণ
- ধাপ -৬ ভুঁড়ির চর্বি ও পিছনের কালো অংশ কাটার সঠিক উপায়
- ধাপ -৭ ভুঁড়ির তীব্র গন্ধ দূর করার পরীক্ষিত ঘরোয়া টোটকা
- ধাপ -৮ পরিষ্কার করা ভুঁড়ি সংরক্ষণ ও দীর্ঘদিন তাজা রাখার উপায়
- উপসংহার
গরুর ভুঁড়ি পরিষ্কার করার গুরুত্ব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি
গরুর পাকস্থলীতে গরু যে খাবার খায় সে খাবারের হজম না হওয়া অংশগুলো থেকে যায় এবং সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, তাই এটি সঠিকভাবে পরিষ্কার না করে রান্না করা হলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে ।
ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণঃ অপরিষ্কার ভুঁড়িতে ই-কলি (E.coli) বা সালমোনিলা(salmonella)এর মত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থেকে থাকে, তাই ভুঁড়ি ভালোভাবে পরিষ্কার করে রান্না করে না খেলে মানুষের ফুড পয়জনিং বা ডায়রিয়া হতে পারে।
দুর্গন্ধের উৎসঃ ভুঁড়ির গায়ে লেগে থাকা কালো আবরণটি মূলত বর্জ্যের অংশ। এই অংশটুকু ভালো করে পরিষ্কার না করলে রান্নার পরেও তীব্র ও অস্বস্তিকর গন্ধ বের হতে থাকে, তাই এটি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে ।
স্বাদ ও পুষ্টি বজায় রাখাঃ ভুঁড়ি সঠিকভাবে ও ভালোভাবে পরিষ্কার করে, তারপর মাংসের সব ধরনের মসলা দিয়ে ভালো কর, কষিয়ে রান্না করলে মাংসের ভিতরে মসলা প্রবেশ করে তখন এর আসল স্বাদ পাওয়া যায়।
পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপাদান
একেক জন একেক ভাবে ভুঁড়ি পরিষ্কার করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। ভুঁড়ি পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপাদান গুলো হাতের কাছে গুছিয়ে নিলে ভুঁড়ি পরিষ্কার করার সময় কম লাগে। নিচে ভুঁড়ি পরিস্কার করার সব ধরনের উপায় গুলো দেওয়া হলো;
- ধারালো ছুরি বা বটি
- বড় একটি চামচ বা স্টিলের স্ক্রেপ্যার
- বড় পাত্র, পানি গরম করার জন্য
- রান্নার চুন, ১ থেকে ২ টেবিল চামচ
- বেকিং সোডা , দুই টেবিল চামচ
- হোয়াইট ভিনেগার বা লেবুর রস আধা কাপ
- হলুদের গুঁড়া এক টেবিল চামচ
- যদি পারেন হ্যান্ড গ্লাভস রাখতে পারেন (হাত সুরক্ষিত রাখার জন্য)
ধাপ -১ প্রাথমিক প্রস্তুতি ও প্রাথমিক ধোয়া
কুরবানির গরুর ভুঁড়ির বা বাজার থেকে ভুঁড়ি আনার পর প্রথম কাজ হল এর ভিতরের মোটা বর্জ্য পদার্থগুলো ফেলে দিয়ে তারপর বাকি কাজ গুলো করতে হয়।
- প্রথমে ভুঁড়িটাকে ৫ থেকে ৬ টুকরা করে কেটে নিন। কেননা আস্ত ভুঁড়িটাকে কয়েক টুকরা করে কেটে নিলে পরিষ্কার করতে সুবিধা হয় ।
- পুকুর বা নদীতে নিয়ে ভুঁড়ি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে পারেন , এছাড়াও বাসা বাড়িতে কল ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার রানিং ঠান্ডা পানি দিয়ে ভুঁড়ির উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভালো করে ধুয়ে নিতে পারেন।
- এই অবস্থায় কোনভাবে গরম পানি ব্যবহার করবেন না, ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিলে উপরের যে ময়লা গুলো আছে সেগুলো খুব সহজেই চলে যায়।
ধাপ -২ ফুটন্ত গরম পানির সঠিক ব্যবহার ও কৌশল
ভুঁড়ি পরিষ্কারের সবচেয়ে সহজ ও প্রচলিত এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো গরম পানি দিয়ে ভুড়ি পরিষ্কার করা, তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে এখানে সময়ের বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল । সময়ের হের ফের করা যাবেনা।
| পানির অবস্থা | করণীয় | ফলাফল |
|---|---|---|
| হালকা গরম পানি | ভুঁড়ি ডুবিয়ে রাখা যাবেনা | ময়লা নরম হবেনা |
| ফুটন্ত টগবগে গরম পানি | মাত্র ১০-১৫ সেকেন্ড ডুবিয়ে রাখুন | ময়লা সহজেই উঠে আসবে |
| অতিরিক্ত সময় রাখা | ১ মিনিটের বেশি রাখলে | চামড়া শক্ত হয়ে যাবে,ময়লা আর উঠবেনা |
কৌশলঃ একটি বড় পাতিলে পানি ফুটিয়ে নিন তারপর এই ফুটন্ত পানির মাঝে ভুড়ির টুকরাগুলো বিশেষ করে কালো অংশগুলো ১০-১৫ সেকেন্ডের মধ্যে তুলে তারপর একটি সমতল জায়গায়, বিশেষ করে বড় স্টিল/সিলভারের ডিস এর উপরে নিয়ে চামচ বা ছুরি দিয়ে হালকা করে চাছুন, দেখবেন কালো আবরণটি খুব সুন্দর করে উঠে আসছে।
ধাপ -৩ চুন দিয়ে গরুর ভুঁড়ি পরিষ্কার করার প্রাচীন ও কার্যকরী নিয়ম
অনেকেই চুন দিয়ে ভুঁড়ি পরিষ্কার করে থাকে। চুন দিয়ে ভুঁড়ি পরিষ্কার করা একটি ঐতিহ্যও বটে , চুন ভুঁড়ির কালো চামড়া কে খুব সহজে আলগা করে দেয়।
- একটি বড় পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে এক থেকে দুই চামচ চুন ভালোভাবে পানি দিয়ে গুলিয়ে নিন
- এবার এই চুনের পানিতে ভুঁড়ির কালো টুকরা গুলো ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন।
- তারপর ভিজিয়ে রাখা ভুঁড়িগুলো অন্য একটা পাত্রে তুলে দুই হাত দিয়ে ভালোভাবে কচলিয়ে নিন (এ সময় হাতে গ্লাভস ব্যবহার করলে খুব ভালো হয়) দেখবেন এভাবে ভুঁড়ির অনেকটা কালো অংশ উঠে যাবে।
- তারপর অল্প কিছু কালো আবরণ লেগে থাকবে সেগুলো বটি বা ছুরি দিয়ে ভালো করে চেছে নিন। দেখবেন খুব দ্রুত পরিষ্কার হয়ে যায়। চুন ব্যবহারের পর অবশ্যই অবশ্যই ভুঁড়িগুলো প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন ,যাতে চুনের কোন অংশ ভুঁড়িতে লেগে না থাকে।
ধাপ -৪ বেকিং সোডা ও ভিনেগার ব্যবহার করার আধুনিক পদ্ধতি
অনেকেই আছে যারা চুন ব্যবহার করতে চায় না (বিশেষ করে আমি নিজেই চুন ব্যবহার করতে চাই না) তাদের জন্য বেকিং সোডা ও ভিনেগার একটি দারুণ কম্বিনেশন এবং এটি চমৎকার আধুনিক বৈজ্ঞানিক সমাধান । বেকিং সোডা ও ভিনেগার দুইটা একসাথে বিক্রিয়া কারণে ভুঁড়ির ময়লা ও আঠালো ভাব খুব দ্রুত দূর করে।
- প্রথমে একটি পাত্রে কুসুম গরম পানি নিবেন।
- এই কুসুম গরম পানিতে আপনি ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও আধা কাপ ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে ফেনা তৈরি করুন।
- পানির এই মিশ্রণটিতে ৩০ মিনিট গরুর ভুড়ি ভিজিয়ে রাখুন।
- তারপর ৩০ মিনিট পরে এই মিশ্রণটি থেকে ভুড়িগুলো তুলে স্কাবার বা ছুরি দিয়ে সামান্য ঘষলে দেখবেন কালো অংশগুলো খুব সুন্দর ভাবে উঠে যাবে এবং ভুঁড়ি গুলো ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন, দেখবেন ভুঁড়ি ধবধবে সাদা হয়ে যাবে।
ধাপ -৫ হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভুঁড়ির ভেতরের অংশ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্তকরণ
এরপর বাকি আছে ভুড়ির ভিতরের সাদা অংশ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা। অনেকেই ভুঁড়ির উপরের কালো অংশ পরিষ্কার করতে করতে ভিতরের খাচকাটা বা জালের মতো অংশটি পরিষ্কার করতে ভুলে যান ,এই জালের ভিতরে থাকে অনেক ময়লা যা পরিষ্কার করা খুবই জরুরী।
প্রো-টিপঃ ভুঁড়ির ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে সব সময় হলুদ ব্যবহার করবেন, কেননা হলুদের রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক।
আরো পড়ুনঃ গরমে পানি শূন্যতায় ভুগছেন ? জেনে নিন সুস্থ থাকার উপায়
ভুড়ির পরিষ্কার করা টুকরা গুলো একটি পাত্রে নিয়ে তাতে এক চামচ হলুদের গুড়া দিয়ে ও সামান্য পানি দিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিন, তারপর ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। হলুদ ব্যবহারের ফলে সব লুকানো ময়লা বের হয়ে আসবে এবং ভুঁড়িটি হবে সম্পূর্ণ জীবনুমুক্ত ।
ধাপ -৬ ভুঁড়ির চর্বি ও পিছনের কালো অংশ কাটার সঠিক উপায়
ভুঁড়ির শুধু উপরের অংশ পরিষ্কার করলেই হয় না, কেননা এর পেছনে সাইডের দিকে রয়েছে অতিরিক্ত চর্বি এবং পাতলা একটা চামড়া থাকে। এই চামড়া পরিষ্কার করার নিয়ম হলো।
- প্রথমে ভুঁড়িটাকে উল্টে করে বিছিয়ে নিন।
- এরপর চর্বির সাথে অনেক সময় প্রচুর ময়লা আটকে থাকে তাই এই অতিরিক্ত চর্বি গুলো ছুরি দিয়ে কেটে ফেলে দিবেন।
- এরপরে পেছনে যে পাতলা পর্দাটি থাকে সেটি এই হাত দিয়ে টেনে বা ছুরি দিয়ে কেটে আলতো করে টেনে তুলে ফেলে দিবেন। এই অতিরিক্ত চর্বি ফেলে দিলে ভুঁড়িটি দেখতে সুন্দর হয় তেমন রান্নার পর অতিরিক্ত চর্বির আঠালো ভাব থাকে না।
ধাপ -৭ ভুঁড়ির তীব্র গন্ধ দূর করার পরীক্ষিত ঘরোয়া টোটকা
অনেক সময় দেখা যায় এই ভুঁড়ি খুব ভালো করে পরিষ্কার করলেও রান্না করার সময় একটা তীব্র আশটে গন্ধ বের হয়। রান্না করার সময় এই গন্ধ দূর করার কয়েকটি উপায় নীচে দেওয়া হল ঃ
- আটা ময়দার ব্যবহারঃ ভুড়ির দুর্গন্ধ দূর করতে হলে প্রথমে দুই থেকে তিন চামচ আটা বা ময়দা নিয়ে টুকরা করা ভুঁড়ির সাথে লবণ মাখিয়ে ১০মিনিট রেখে দেন। এরপর হাত দিয়ে কচলিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন । আটা ভুঁড়ি দুর্গন্ধ ও চর্বি শুষে নেয়।
- লেবু ও লবণের ব্যবহাঃ ভুড়ি রান্নার আগে লেবুর রস ও লবণের পানি মিশিয়ে ভুঁড়ি পাঁচ মিনিট ডুবিয়ে রাখলে ভুঁড়ির গন্ধ ভেনিস হয়ে যায়।
ধাপ -৮ পরিষ্কার করা ভুঁড়ি সংরক্ষণ ও দীর্ঘদিন তাজা রাখার উপায়
ভুঁড়ি পরিষ্কার করার পর অনেকেই ফ্রিজে রেখে দেন, বিশেষ করে ঈদের সময় মাংস অনেক খাওয়া হয় তাই ভুঁড়ি পরে খাওয়ার জন্য ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়। ভুঁড়ির স্বাদ ঠিক রাখার জন্য সঠিক উপায়ে ভুঁড়ি সংরক্ষণ করা জরুরী
সেদ্ধ করে নেওয়াঃ পরিষ্কার করা ভুড়িগুলো হলুদ ও লবন মিশিয়ে ৫ মিনিট সিদ্ধ করে নিন।
পানি ঝরানোঃ সেদ্ধ করা ভুঁড়িগুলো একটা ছাকনিতে ছেকে নিয়ে সম্পূর্ণ ঠান্ডা করে নিন, সম্পূর্ণ ঠান্ডা হয়ে গেলে ভুঁড়িগুলো ছোট ছোট টুকরা করে রান্নার উপযুক্ত করে কেটে নিন। ভুঁড়ি সিদ্ধ করা পানিটা ঠান্ডা করে নিন, পানির উপরে ভুঁড়ির চর্বি জমে শক্ত হয়ে থাকবে ,এই চর্বি ফেলে দিবেন না ,এই চর্বিগুলো ভুড়ি রান্নার সময় ব্যাবহার করতে পারেন।
সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ তারপর টুকরো করা ভুঁড়িগুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে একটা এয়ারটাইট বক্স অথবা জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ৫ থেকে ৬ মাস ভালো থাকবে এবং ফ্দুরিজের অন্র্গয খাবের গুলোতে কোনো গন্ধ ছড়াবে না।
উপসংহার
ভুঁড়ি পরিষ্কার করা একটু ধৈর্যের কাজ, তবে সঠিক পদ্ধতিতে ভুড়ি পরিষ্কার করার পদ্ধতি জানা থাকলে মোটেও এটা কঠিন কোন কাজ না ,ফুটন্ত গরম পানির সঠিক টাইমিং কিংবা চুন ও ঘরোয়া সোডার কৌশল ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজেই ভুঁড়ি ঘরে পরিষ্কার করে রান্না করতে পারবেন । বাজারে অস্বাস্থ্যকর ওর রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিস্কার করা ভুঁড়ি না কিনে আপনি এই ঈদে বা যেকোনো উৎসবে ঘরেই ট্রাই করতে পারবেন, এই সহজ ধাপগুলো। সুস্থ থাকতে হলে , অবশ্যই সুস্বাদু ও নিরাপদ খাবার উপভোগ করতে হবে।
আমি একজন পেশাদার কন্টেন্ট রাইটার এবং ব্লগার। । আমার এই ব্লগের মূল উদ্দেশ্য হলো পাঠকদের কাছে সঠিক, যাচাইকৃত এবং সহজবোধ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া।আমার লেখা যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে ,তাহলে কমেন্ট করে অনুপ্রেরণা দিবেন আশা রাখছি। বিশেষ করে যারা ঘরে বসে কাজ করতে চান বা ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার শিখতে চান, তাদের জন্য আমি নিয়মিত গবেষণামূলক আর্টিকেল লিখে থাকি। আমার লেখা আপনার উপকারে আসলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।"

bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url