অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা ও ফেরত দেওয়ার নিয়ম ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ে দিন দিন নিজেদের প্রযুক্তি নির্ভর ও আধুনিক করে গড়ে তুলেছে । একসময় ট্রেনের টিকেট মানেই বিশেষ করে ঈদের সময় খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্টেশনে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ট্রেনের টিকেট কাটতে হতো । কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে বাংলাদেশ রেলওয়ে ই-টিকিট সিস্টেম সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
এখন বাংলাদেশের রেলের অফিসিয়াল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে যেকোনো স্থান থেকে মাত্র কয়েক মিনিট এবং কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমে টিকিট বুক করা যায় । ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী কিভাবে নিয়ম মেনে আপনি সহজে অনলাইনে টিকিট কাটবেন এবং ফেরত দিবেন, তার বিস্তারিত আলোচনা করব এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।
সূচিপত্রঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট সম্পর্কে বিস্তারিত
- বাংলাদেশ রেলওয়েতে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
- অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার সহজ ধাপসমূহ
- টিকিট যার, ভ্রমণ তার নীতি এবং সহযাত্রী যুক্ত করার নিয়ম
- পেমেন্ট পদ্ধতি ও ই-টিকিট ডাউনলোডের নিয়ম
- অনলাইনে টিকিট ফেরত দেওয়ার নিয়ম২০২৬
- টিকিট বাতিলের সময়সীমা ও কর্তনকৃত টাকার হার
- অনলাইনে রিফান্ডের টাকা ফেরতের মাধ্যম ও সময়সীমা
- টিকিট কাটার সময় সমস্যা ও তার সমাধান
- জরুরি সতর্কতা
- উপসংহার
বাংলাদেশ রেলওয়েতে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম
অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হলো আপনার এনআইডি কার্ডের সঠিক তথ্য দিয়ে নিজের নামে ভেরিফাই বা নিবন্ধন করে অ্যাকাউন্ট তৈরি থাকতে হবে। আপনারা আইডি কার্ডের সঠিক তথ্য ছাড়া এই অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন না।
নিবন্ধনের ধাপসমূহ
- ১ম ধাপে নিবন্ধন করার জন্য প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd)/Play Store থেকে Rail Sheba এই অ্যাপে প্রবেশ করতে হবে।
- ২য় ধাপে হোমপেজে থাকা Register বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- ৩য় ধাপে আপনার সচল মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয় পত্র/ এন আই ডি নম্বর এবং জন্মতারিখ সঠিকভাবে ইনপুট করতে হবে।
- ৪র্থ ধাপে আপনি যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সে তথ্যগুলো দেওয়ার পর এন আইডি ডাটাবেজের সাথে আপনার তথ্য যাচাই করে ভেরিফাইভ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- ৫ম ধাপে আপনার তথ্যগুলো সঠিক থাকলে আপনার মোবাইল নাম্বারে একটি ওটিপি কোর্ড আসবে , সেই ওটিপি কোর্ডটি আপনি নির্দিষ্ট বক্সে বসিয়ে দিন।
- ৬ষ্ঠ ধাপে একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিন এবং আপনার ইমেইল আইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে নিন।
পয়েন্ট টু বি নোট একজন এনআইডি কার্ডের নিবন্ধিত অ্যাকউন্ট থেকে অন্য কোন ব্যক্তির নামে টিকিট কেনা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ ,তবে আপনি আপনার নিজের অ্যাকউন্ট থেকে সর্বোচ্চ তিনজন সহযাত্রীর টিকেট কাটতে পারবেন।
অনলাইনে টিকিট কাটার সহজ ধাপসমূহ
সফলভাবে লগইন করার পর আপনি খুব সহজেই টিকিট কাটতে পারবেন। নিচে পর্যায়ক্রমে ধাপগুলো দেওয়া হল ঃ
- লগইন করুনঃ আপনার মোবাইল নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে রেল সেবা অ্যাপের আপনার একাউন্টে প্রথমে প্রবেশ করুন।
- ভ্রমণের বিবরণ দিনঃ তারপর From বক্সে আপনি যে স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবেন সেই স্টেশনের নাম দিবেন এবং To বক্সে আপনি যেই স্টেশনে গিয়ে পৌঁছাবেন সেই গন্তব্য স্টেশনের নাম দিবেন ।
- তারিখ ও শ্রেণী নির্বাচনঃ Date of journey জার্নি এবং Choose Class থেকে ট্রেনের আসন শ্রেণী সিলেক্ট করুন। তারপর Find Tickets বাটনে ক্লিক করুন।
- ট্রেনে আসন পছন্দ করুনঃ আপনার নির্ধারিত রুটের সব ট্রেনের তালিকা দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি আপনার সুবিধার জনক সময়ে ট্রেনের পাশে থাকা Book Now / View Seats ক্লিক করে ফাঁকা আসন পছন্দ করুন। ( ফাঁকা আসন সাধারণত সবুজ রঙের হয় )
- সহযাত্রীর নাম যুক্ত করুনঃ আপনি যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার টিকিটের সাথে আরও সহযাত্রীদের টিকিট কাটেন, তাহলে বিবরণ দেওয়ার অপশন আসবে সেখানে সহযাত্রীর সব তথ্য পূরণ করে Continue Purchase ক্লিক করুন ।
টিকিট যার, ভ্রমণ তার' নীতি এবং সহযাত্রী যুক্ত করার নিয়ম
বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রচুর টিকিট কালোবাজারি হয়, সেই কালোবাজারি রুখতে বাংলাদেশ রেলওয়ে কঠোরভাবে টিকিট যার ,ভ্রমণ তার ,নীতি বাস্তবায়ন করেছে ।
আরো পড়ুনঃ উবার রাইট কিভাবে সহজ নিয়মে বুকিং দেওয়ার যায়।
সেজন্য অবশ্যই আপনাকে ভ্রমণের সময় অনলাইন টিকিটের সফট কপি বা প্রিন্ট কপি এবং নিজের এন আইডি বা জন্মনিবন্ধনের কপি সাথে রাখতে হবে। আপনি যদি নিজের আইডি থেকে আপনার পরিবারের সদস্যদের /বন্ধুবান্ধবদের টিকিট কাটেন তবে টিকিট কাটার সময় অবশ্যই প্রত্যেকের নাম এবং এনআইডি/জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সঠিকভাবে ইনপুট করতে হবে। অন্যথায় স্টেশনে ট্রেনের চেকার (TTE) যদি আপনার টিকিটের নামের সাথে যাত্রীদের আসল পরিচয় এর মিল না পান তবে টিকিট বাতিল হবে অথবা বিনা টিকিটে ভ্রমনের জরিমানাও হতে পারে।
পেমেন্ট পদ্ধতি ও ই-টিকিট ডাউনলোডে করার নিয়ম
পেমেন্ট পদ্ধতির নিয়ম হলো আসন নিশ্চিত করার পর আপনাকে পেমেন্ট পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। বাংলাদেশ রেলওয়েতে ই-টিকিট পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিরাপদ মাধ্যমে রয়েছে ।
- মোবাইল ব্যাংকিংঃ আপনি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে (বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায় ইত্যাদির) টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।
- কার্ড এ পেমেন্টঃ আপনি ইচ্ছে করলে যেকোনো ব্যাংকে ডেবিট /ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ও ই-টিকেটের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।
আপনার সুবিধাজনক মোবাইল ব্যাংকিং সিলেক্ট করুন। বিকাশ নগদের ক্ষেত্রে আপনার নম্বরটি দিয়ে এবং ওটিপি ও পিন কোড দিয়ে সাবমিট করতে হবে। পেমেন্ট সফল হওয়ার সাথে সাথে স্কিনে Successful মেসেজ এবং আপনার নিবন্ধিত ইমেলের একটি কপি ( PDF) চলে যাবে। পেমেন্ট কনফার্মেশনে স্ক্রীনসর্ট/ইমেইল সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। কোনো সমস্যা হলে Transaction ID ব্যাবহার করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি ওয়েবসাইটের Purchase History অপশনে গিয়ে আপনি আপনার ই-টিকিট যেকোনো সময় ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।
অনলাইনে টিকিট ফেরত দেওয়ার নিয়ম ২০২৬
যদি কোন কারনে আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা পরিবর্তন হয় বা বাতিল করতে হয়, তখন আপনি ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী ঘরে বসেই অনলাইনে টিকেট অনলাইন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে রিফান্ড বা ফেরত দিতে পারবেন, আগে টিকিট ফেরতের জন্য রেল স্টেশনের কাউন্টারে যেতে হতো । কিন্তু বর্তমানে তা পুরোপুরি ডিজিটাল হয়েছে, তাই আপনি ঘরে বসেই আপনার টিকিট রিফান্ড বা ফেরত দিতে পারবেন।
- শুরুতেই আপনাকে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে আপনার একাউন্ট ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। তারপর আপনার প্রোফাইল থেকে বা ড্যাশবোর্ড থেকে Purchase History/My Tickets অপশনে যেতে হবে।
- আপনি যে টিকিট ফেরত দিতে চান তার পাশে একটি Refund/Cancel Ticket বাটন পাবেন সেখানে ক্লিক করতে হবে।
- স্ক্রিনে আপনাকে দেখানো হবে আপনি যে টিকিটটি বাতিল করলে কত টাকা ফেরত পাবেন।
- যদি আপনার সম্মতি থাকে আপনি তাহলে মোবাইলে আশা ওটিপি দিয়ে কনফার্ম করবেন ,তখন আপনার টিকিট সফলভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
টিকিট বাতিলের সময়সীমা ও কর্তনকৃত টাকার হার
আপনি ট্রেন ছাড়ার কত সময় আগে টিকিট ফেরত দিচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কেটে রাখে। ২০২৬ সালের সর্বশেষ সংশোধিত রিফান্ড পলিসি দেওয়া হল।
| সময়সীমা ( ট্রেন ছাড়ার পূর্বে) | কর্তনকৃত টাকার হার(Clearage charge) |
|---|---|
| ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় | টিকিট প্রতি মাত্র ৪০ টাকা সার্ভিস চার্জ কাটা হবে । বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে। |
| ৪৮ ঘন্টা থেক ২৪ ঘন্টার মধ্যে | মোট টিকিটের মুল্যের ২৫% টাকা কাটা হবে। |
| ২৪ ঘন্টা থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে | মোট টিকিটের মুল্যের ৫০% টাকা কাটা হবে। |
| ১২ ঘন্টা থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে | মোট টিকিটের মুল্যের ৭৫% টাকা কাটা হবে। |
| ০৬ ঘন্টার কম সময় থাকলে | কোনো টাকা ফেরত বা রিফান্ড দেওয়া হবেনা, |
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ আপনি যদি কাউন্টার থেকে প্রিন্ট করা বা স্টেশন থেকে কিনা টিকেট ফেরত দিতে চান, তাহলে অন্ততপক্ষে ট্রেন ছাড়া ২ ঘন্টা আগে স্টেশনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে টিকিট জমা দিয়ে টাকা ফেরত নিতে হবে। এছাড়া অনলাইনের টিকিট প্রিন্ট করে ফেললে অনেক সময় রিফান্ড কাজ নাও করতে পারে , সেক্ষেত্রে আপনি কাউন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন।
অনলাইনে রিফান্ডের টাকা ফেরতের মাধ্যম ও সময়সীমা
আপনি অনলাইনে টিকিট সফলভাবে বাতিল করেছেন। তাই বলে টাকা কিন্ত সরাসরি আপনার হাতে পাবেন না। আপনি যে পেমেন্ট মেথট ব্যবহার করে টিকিট কিনেছিলেন টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই একাউন্টে ফেরত পাবেন।
- মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রেঃ মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে সাধারণত টিকিট বাতিলের ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে চলে যাবে ।
- ব্যাংক কার্ডের ক্ষেত্রেঃ আপনি যদি ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকেন তাহলে ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার কারণে টাকা ফেরত পেতে আপনার ৭ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।
রিফান্ড প্রসেস চলাকালীন আপনার মোবাইলে কনফার্মেশন এসএমএস পাঠানো হবে। বলে রাখা ভালো,অফিসিয়াল টার্মস এর জন্য আপডেট পরিবর্তন হতে পারে।
টিকিট কাটার সময় সাধারণ সমস্যা ও তার সমাধান
অনলাইনে টিকিট কাটার সময় প্রায়ই যাত্রীরা কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে। নিচে তার সমাধান দেওয়া হল
- টাকা কেটে নিয়েছে কিন্তু টিকিট পাননিঃ অনেক সময় দেখা যায় যে আপনার টিকিটের টাকা কেটে নিয়েছে কিন্তু টিকেট পাননি। এটি সবচেয়ে কমন সমস্যা, এটাকে পেমেন্ট গেটওয়ে ফেইলিওর বলে। এমন হলে ভয়ের কিছু নেই ,সাধারণত পরবর্তী ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মাধ্যম ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল অ্যাকাউন্টে ফেরত চলে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ে সাপোর্ট মিল এ (support@eticket.railway.gov.bd) ট্রানজেকশন আইডি সহ মেইল করতে পারেন।
- ওটিপি (OTP) কোর্ড না আসাঃ অনেক সময় দেখা যায় নেটওয়ার্ক জ্যামের কারণে ওটিপি কোর্ড আসতে দেরি করে। তাহলে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে Resend OTP দিন, তারপরও যদি সমস্যার সমাধান না হয়,তাহলে আপনার সিমের মেসেঞ্জারে ইনবক্স খালি আছে কিনা তা চেক করে নিন।
- অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যাওয়াঃ অনেক সময় ভুল পাসওয়ার্ড বারবার দিলে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে লক হতে পারে, সে ক্ষেত্রে ফরগেট পাসওয়ার্ড অপশনে গিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট করে নিন।
জরুরী কিছু সতর্কতা
বাংলাদেশ রেলওয়ে অনলাইন সিস্টেম এ এর ব্যবস্থার কারণে আমাদের সময় ও শ্রম দুটি বাঁচিয়ে দিয়েছেন, তবে নিরাপদ ও ঝামেলাহীন ভ্রমণের জন্য কিছু জরুরি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে ।
- সব সময় চেষ্টা করবেন ভ্রমণের অন্তত তিন থেকে চারদিন আগেই টিকিট কেটে রাখার, কেননা ছুটির দিনগুলোতে টিকেটর চাহিদা অনেক বেশি থাকে, তাই সবসময় সাথে সাথে টিকিট পাওয়া যায় না।
- কোন থার্ড পার্টি বা ফেসবুক গ্রুপের অপরিচিত ব্যক্তি থেকে অনলাইনে টিকেট নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন, কেননা এতে আপনি আর্থিক প্রতারণার শিকার হতে পারেন এবং ভ্রমণের সময়ও বিভিন্ন আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।
- আরেকটি কথা আপনি যখন টিকিট রিফান্ড দিবেন, তখন সময়ের হিসাবটি সবসময় আপনি মাথায় রাখুন। যেন অপ্রয়োজনীয় জরিমানা বা টাকা কাটা না যায় ।
উপসংহার
বাংলাদেশ রেলওয়েতে আপনার ভ্রমণ হোক নিরাপদ ও আরামদায়কন। বাংলাদেশের রেলওয়ের সব নিয়ম মেনে চলুন, সবসময় টিকিট কেটে ভ্রমণ করুন। বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন এবং দেশের সম্পদ রক্ষা করুন ।
আমি একজন পেশাদার কন্টেন্ট রাইটার এবং ব্লগার। । আমার এই ব্লগের মূল উদ্দেশ্য হলো পাঠকদের কাছে সঠিক, যাচাইকৃত এবং সহজবোধ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া।আমার লেখা যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে ,তাহলে কমেন্ট করে অনুপ্রেরণা দিবেন আশা রাখছি। বিশেষ করে যারা ঘরে বসে কাজ করতে চান বা ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার শিখতে চান, তাদের জন্য আমি নিয়মিত গবেষণামূলক আর্টিকেল লিখে থাকি। আমার লেখা আপনার উপকারে আসলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।"

bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url