আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬
বিশ্বে যা কিছু মহান চিরকল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছেন নারী অর্ধেক তার নর , এই চিরন্তন সত্যকে স্মরণ করে আজ আমরা উদযাপন করছি আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ৮ এ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস , আন্তর্জাতিক নারী দিবস সমাজ পরিবার ও রাষ্ট্র গঠনে নারীর অবদান অপরিসীম।
নারী দিবসের পিছনের ইতিহাস;
নারী দিবসের ইতিহাস শুরু হয় শ্রমজীবী নারীদের আন্দোলন থেকে । যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৯০৮ সালের হাজার হাজার নারী শ্রমিক কাজের সময় , ভালো বেতন এবং ভোটের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করে । ১৯১০ সালে ওপেন হেগের এক সম্মেলনে একজন জার্মান নেত্রী [Clara Zetkin] ক্লারা জেটকিন আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রস্তাব দেন। সেখান থেকে নারী দিবসের সুত্রপাত। এরপর ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া্র মহিলারা রুটি এবং শান্তির জন্য ধর্মঘট করে। ৮ই মার্চ থেকে শুরু হয় ধর্মঘট এবং মহিলারা প্রথমে ভোটাধিকার লাভ করে ১৯৭৫ সালে।United Nations এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ সালের ্থিম ;
আন্তর্জাতিক নারী দিবস 2026 চলতি বছরের থিম প্রতিবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নির্দিষ্ট একটা থিম ঠিক করা হয় এ বছরের থিম হচ্ছে Give To Gain, নারীকে শক্তিশালী করলে পরিবার সমাজ ও দেশ আরো উন্নত হয়।
নারী দিবসের তাতপর্য; লিঙ্গ সমতা;.
- নারীর ক্ষমতায়ন ,
- সহিংসতা প্রতিরোধ ,
- বিদ্যমান চ্যলেঞ্জ সমূহ ,
- ভবিষ্যৎ ভাবনা ,
- সাফল্যের খতিয়ান ,
- ডিজিটাল যুগের নারী ,
নারীর সফলতা;
বিগত কয়েক বছরে নারীরা কেবল অন্দরমহল সাবলানোর চির চরিত প্রথা ভেঙ্গে বেরিয়ে এসেছে আর জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সফলতা দৃশ্যমান । যেমন রাজনীতি ও অর্থনীতি নির্ধারণ , শিক্ষা ও গবেষণা ,অর্থনৈতিক স্বাবলম্বি, উদ্যোক্তা ফ্রিল্যান্সিং,খেলাধুলা, সাহসিক অভিযান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ।
বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সমুহ;
বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সমূহের মধ্যে এখনো যে বাধা গুলো রয়ে গেছে নারীদের ক্ষেত্রে । যেমন নিরাপত্তা , বেতন বৈষম্য , সাইবার বোলিং। আগেও নারীদের এইসব বিষয়ে অনেক সমস্যার সম্মুখীন ছিল , এখনো ডিজিটালভাবে ও এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে । অনলাইনে অনেক নারীরা সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ ভাবনা;
নারীদের বাধাহীন ভাবে এগিয়ে যেতে হলে সবাইকে মিলে একটি বৈষম্যহীন পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে , তাহলে নারীরা সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে পারবে।
বাংলাদেশে নারী দিবস উদযাপন;
বর্তমানে সারা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও এ দিনটি পালন করা হয়। সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এই দিনটি উদযাপন করা হয়
উপসংহার;
পরিশেষে বলা যায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ বা
আনুষ্ঠানিকতা আয়োজনের জন্য নয়। এটি মূলত অধিকার আদায়ের লড়াইকে সম্মান জানানো
,নারী পুরুষ একে অপরের পরিপূরক , সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য নারীর সম্মান
অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি । তা নারীকে অবহেলা নয় বরং যথাযথ
মর্যাদা ও সুযোগ দিতে হবে তবেই গড়ে উঠবে একটি সুন্দর সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ।
এই প্রত্যাশা নিয়ে আমরা উদযাপন করি International Women's day,
bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url