ChatGPT এবং Gemini দিয়ে প্রতিদিনের কাজ ১০ গুণ ফাস্ট করার ৫টি প্র্যাক্টিক্যাল ট্রিকস

  

আগে যে কাজগুলো করতে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় লাগতো কিন্তু বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে , এখন সেই এগুলোর অনেক কিছুই চ্যাটজিপিটি এবং জেমিনি দিয়ে অল্প সময়ে সে কাজগুলো করা সম্ভব।

ChatGPT-এবং-Gemini-দিয়ে


লেখালেখি , ইমেইলের উত্তর তৈরি করা , নতুন আইডিয়া খোজা কিংবা কোন জটিল বিষয় সহজ ভাবে বোঝা , প্রায় সব ক্ষেত্রেই এআই টুলগুলো বেশ কাজে আসে। 

অনেক ক্ষেত্রে এআই দিয়ে কাজ করে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পাওয়া যায় না। এটা কিন্তু এআই এর সীমাবদ্ধতা নয়। চ্যাটজিপিটি এবং জেমিনি ব্যবহার করে কিভাবে সঠিক নির্দেশনা দিতে হয় এবং কিভাবে এআইকে কাজে লাগাতে হয় তা আমরা সঠিকভাবে জানি না।

আপনি যদি সঠিক কৌশল ব্যবহার করতে পারেন , তাহলে দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে সময় বাঁচানো সম্ভব। বিশেষ করে শিক্ষার্থী , ফ্রিল্যান্সার , ব্লগার এবং অনলাইন নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এই টুলগুলো বেশ উপকারী।

চলুন জেনে নেই ; চ্যাটজিপিটি এবং জেমিনি দিয়ে কাজের গতি বাড়ানোর পাঁচটি বাস্তবসম্মত কৌশল। 

সূচিপত্রঃ এআই দিয়ে কাজের গতি বাড়ানোর পাঁচটি কার্যকরী কৌশল ।

বড় কাজকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করুন

একটি বড় কাজকে কয়েকটি ছোট ছোট কাজে ভাগ করে প্রতিটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা নির্দেশনা দিয়ে কাজ করানোই ভালো। এই পদ্ধতিকে বলে প্রম্পট চেইনিং

অনেক সময় আমরা এআইকে একেবারেই একটি বড় কাজ দিয়ে দেই এবং তাকে বলি কাজটির  সম্পূর্ণ মার্কেটিং পলিটিকল্পনা করার জন্য কিন্তু এই কাজটি যদি জটিল হয় তাহলে একসঙ্গে সবকিছু চাওয়ার পরিবর্তে আমরা ধাপে ধাপে এগুতে পারি, তাহলে AI এর জন্য ফলাফল ভালো দিতে পারে । এই পদ্ধতিকে বলা প্রম্পট চেইনিং।

কিভাবে ব্যবহার করবেন

ধরেন আপনি অনলাইনে একটি নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন কিন্তু আপনার পূর্বের এই ব্যবসার কোন অভিজ্ঞতা বা এটি প্রচার প্রচারের জন্য কোন রকম অভিজ্ঞতা নেই। তাহলে আপনি কিভাবে সেটি প্রচারের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে চান এই সমস্ত বিষয় জানার জন্য আপনি এআইকে ধাপে ধাপে জিজ্ঞাসা করে এগোতে পারেন। 

প্রথম ধাপঃ আপনি চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিকে বলুন আপনার অনলাইন ব্যবসার সম্ভাব্য গ্রাহক কারা এবং তাদের প্রধান তিনটি সমস্যা কি? তা চিহ্নিত করে দিতে, তখনই আপনাকে এই সমস্ত বিষয়ে সুন্দর করে চিহ্নিত করে দিবে বা বুঝিয়ে দিবে।

দ্বিতীয় ধাপঃ তারপর বলুন আপনার পণ্য বা আপনি ক্রেতাদেরকে কিভাবে সেবা দিয়ে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবেন , সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিস্তারিত বুঝিয়ে দিতে।

তৃতীয় ধাপঃ সবশেষে আপনি আগের তথ্যের ভিত্তিতে একটি মার্কেটের পরিকল্পনা নিয়ে ফেসবুক পোস্ট কিংবা প্রচারণামূলক ইমেইল তৈরি করতে বলুন। 

এভাবে যদি আপনি  চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিকে দিয়ে প্রতিটি কাজ ধাপে ধাপে করেন , তাহলে প্রতিটি কাজের  ফলাফল ধাপে ধাপে যাচাই করার সুযোগ পাবেন এবং কোথাও ভুল থাকলে তা পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগেই সেটি সংশোধন করে নিতে পারবেন। 

আর এভাবে কাজ করলে শুধু ব্যবসার কাজে নয় , আপনি বড় ব্লগে আর্টিকেল লিখা , ইউটিউব ভিডিও তৈরি করা , বিভিন্ন ইমেজ তৈরি করা,  পড়াশোনা না কিংবা কোন কাজ শিখার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি গুলো খুব সুন্দর ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী এআইকে নির্দেশনা দিন 

আপনি যদি কাজের নির্দেশনার জন্য এআই ব্যবহার করতে চান , তাহলে প্রতিবার  চ্যাটজিপিটি বা জেমিনি ব্যবহার করার সময় আপনার নিজের কাজের ধরন , লেখার স্টাইল এবং পছন্দ সম্পর্কে নতুন করে সবকিছু বুঝাতে হয়, তাহলে কিন্তু সময় নষ্ট হওয়ায় স্বাভাবিক। 

এইসব সমস্যা এড়াতে আপনি এআইয়ের কাস্টম নির্দেশনা বা ব্যক্তিগত কারণে সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন । এর জন্য রয়েছে জেমিনিতে জেমস  এবং চ্যাটজিপিটিতে রয়েছে কাস্টম ইনস্ট্রাকশনস এর মত সুবিধা। এই সুবিধার জন্য  নির্দিষ্ট ধরনের কাজের সাহায্য জন্য পছন্দ অনুযায়ী এআইকে প্রস্তুত করে রাখা যায়। 

কিভাবে ব্যবহার করবেন 

ধরুন আপনি একজন ব্লগার, আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য নিয়মিত আর্টিকেল লিখেন। সেক্ষেত্রে এআইকে আগে থেকেই আপনি এই সম্পর্কে জানিয়ে রাখতে পারেন।যেমন ,আপনি এভাবে লিখতে পারেন যে আমি একজন বাংলা ভাষায় একটি ব্লগ পরিচালনা করি , আমার পাঠকদের জন্য সহজ সাবলীল এবং তথ্য নির্ভুল ভাষায় লিখতে হবে। লেখার অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী শিরোনাম , উপশিরোনাম , উদাহরণ এবং তালিকা ব্যবহার করবে। কোন তথ্য নিশ্চিত না হলে সেটাকে   নিশ্চত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করবে না।

এরপর আপনি যখনই আর্টিকেল লিখতে যাবেন , আপনাকে তখন আর বারবার  এআই কে নির্দেশনা দিতে হবে না । শুধু বিষয়টি জানিয়ে দিলে আপনার নির্ধারিত পছন্দ অনুযায়ী অনুসরণ করে আপনাকে উত্তর তৈরি করে দিবে।

আরো পড়ুনঃ জেমিনি এআই দিয়ে টাকা ইনকামের উপায়

আপনি যদি ফ্রিল্যান্স হন , তাহলে ক্লায়েন্টের ইমেইল লেখা , প্রজেক্টর আপডেট তৈরি করা,  কাজের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য আলাদা করি নির্দেশনা তৈরি করতে পারেন।

আরেকটা কথা মনে, রাখবেন কাস্টম নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ফলাফল যাচাই করা দরকার। কারণ এআই কিন্তু সব সময় আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী উত্তর দিবে  এমন নিশ্চয়তা নেই।

টাইপ না করে ভয়েস ব্যবহার করুন, প্রয়োজনের ছবি আপলোড করুন 

ল্যাপটপে যেকোনো লেখা টাইপিং করতে গেলে অনেক সময় ব্যয় হয়ে যায়, বিশেষ করে বড় বড় আর্টিকেল লিখতে গেলে বা কোন ছোট তথ্য জরুরি প্রয়োজনে জানতে গেলে বা কোন তথ্য সংরক্ষণ করতে গেলে , লেখাগুলো টাইপিং করতে গেলে অনেক সময় ব্যয় হয়ে যায়। বিশেষ করে মোবাইলে টাইপিং করা খুবই বিরক্তকর একটি বিষয়। এই বিরক্তিকর বিষয়ে এড়াতে চাইলে আপনি ইচ্ছে করলে ভয়েস ইনপুট বা কথা বলার নির্দেশনা দেওয়ার সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন। আপনার ডিভাইস ব্যবহৃত অ্যাপে এই সুবিধাটি উপলব্ধ থাকলে বাংলা কথা বলেও নিজের প্রয়োজনীয় মতামত জানাতে পারবেন। 

ChatGPT-এবং-Gemini-দিয়ে


যেমন আপনি গুগলে লিখতে পারেন ,কিভাবে ব্লগারে আর্টিকেল লিখতে হয় ? এ বিষয়ে আমাকে বিস্তারিত তথ্য দাও। এই কথাটি গুগলের সার্চ অপশনে গিয়ে আপনি না লিখে মুখের নির্দেশনা দিয়ে প্রম্পট টাইপ করা ঝামেলা কমাতে পারেন, তবে একটা বিষয় খেয়াল করবেন প্রম্পট নির্দেশনা দেওয়ার সময় ভয়েস ইনপুটে ভুলভাল লেখা হয়েছে কিনা সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। 

এই পদ্ধতি ছাড়াও আরেকটি কার্যকর সুবিধা রয়েছে ,সেটা হল স্ক্রিনশট সমর্থিত ফাইল আপলোড করে এআইয়ের সাহায্য নিতে পারেন। ধরেন , আপনি ল্যাপটপে কাজ করতেছেন কিন্তু আপনার ল্যাপটপে একটি সমস্যা দেখা দিচ্ছে কিন্তু আপনি বুঝতেছেন না তখন আপনার ল্যাপটপের সমস্যাটি স্ক্রিনশট দিয়ে এইআই এর কাছে সমস্যাটি ব্যাখ্যা করবেন এবং সমাধানের ধাপগুলো বলবেন সহজ বাংলায় জানাও। 

এভাবে চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিকে ছবি দিয়ে তার মূল বিষয়গুলোর সংক্ষেপে বুঝিয়ে দিতে পারেন তখন এআই আপনাকে খুব সহজ করে সমাধান করে দিবে। এই পদ্ধতিতে দিলে আপনাকে সব কিছু হাতে লিখে বিস্তারিত বুঝানোর প্রয়োজন পড়ে না তবে ছবি বা ফাইল থেকে পাওয়া তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হলে মূল তথ্য লিখে সঙ্গে মিলিয়ে নিবেন। 

নতুন আইডিয়া খুঁজুন এবং এআইকে ভুল ধরিয়ে দিন 

যে কোন একটি কাজ শুরু করার আগে অনেকেই বুঝতে পারে  তাকে কিভাবে  দিক থেকে এগুনো উচিৎ। কোন কাজ কিভাবে কি করা উচিৎ, এই বিষয়টি বুঝার জন্য আপনি চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিকে দিয়ে আইডিয়া তৈরি করে তাকে সহকারী হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এখন আপনি ব্লগ বিষয়ে কাজ করতে চান নাকি ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওর পরিকল্পনা পরিচালনা  নাকি নতুন কোন ব্যবসা  করতে চান?  যেকোনো এভরিথিং বিষয়ে আপনি এআই থেকে হেল্প নিতে পারেন। 

ধরুন আপনি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করতে চান, কিন্তু নতুন অবস্থায় কি বিষয়ে ভিডিও আপলোড করবেন বুঝতে পারছেন না, তখন আপনি চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিকে বলতে পারেন।যে বাংলা ভাষার নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এ আই টুলস ও প্রযুক্তি বিষয়ক ১০ টি ভিডিও আইডিয়া দাও। প্রতিটি আইডিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য দর্শক ও ভিডিওতে কি শেখানো হবে তার সংক্ষেপে উল্লেখ করে দিবা। এর ফলে আপনি একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ধারণা পাবেন , সেখান থেকে আপনার নিজের দর্শক এবং আগ্রহের সঙ্গে মানানসই বিষয়টি বেছে  নিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন ।

তবে আপনি এআই থেকে আইডিয়া নিয়েই সেই পদ্ধতিতে কাজ করে থেমে থাকবেন না , সে পরিকল্পনার দুর্বলতাটাও খুঁজে বের করবেন । এই কৌশলকে অনেক সময় বলা হয় বিলএডভোকেট পদ্ধতি।এই ভিডিওর আইডিয়ার সম্ভব দুর্বলতা গুলো চিহ্নিত করবেন , দর্শক কোন ভিডিওটি এড়িয়ে যেতে পারে? কিভাবে বিষয়টি আরো আকর্ষণীয় করা যায় , প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা হওয়ার উপায় কি ? তা ব্যাখ্যা করে তুলে ধরবেন। এভাবে নিজের পরিকল্পনার ভালো দিকের পাশাপাশি সীমাবদ্ধতা গুলো আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। 

এই কৌশলগুলো আপনি শুধু ইউটিউব কন্টেন্ট ভিডিও তৈরি করতে নয়। আপনার যে কোন ব্যবসার পরিকল্পনা ,পড়াশোনা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও কাজে লাগাতে পারেন। তবে এআই  এই পরিকল্পনাকে চুরান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে না দেখে , নিজের বিবেচনাকে সবসময় যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিবেন।

বারবার ব্যবহার করা প্রম্পটগুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

প্রতিদিনের কাজে এমন অনেক বিষয় থাকে যেগুলো বারবার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে যেমন ইমেইলের উত্তর লেখা , ব্লগের ডাটা ডেসক্রিপশন তৈরি করা , ফেসবুক ক্যাপশন লেখা , ইউটিউব ভিডিওর বিবরণ তৈরি করা। প্রতিবারই নতুন করে নির্দেশনা লেখার পরিবর্তে কার্যকর যে প্রম্পটগুলো সেগুলো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। এভাবে রাখলে আপনার কাজের সময় বাঁচবে , এটিকে বলা হয় নিজের প্রম্পট ব্যাঙ্ক। আপনি আপনার ল্যাপটপের একটি সাধারণ টেক্সট ফাইল এ প্রম্পট গুলো সাজিয়ে রাখতে পারেন বিভিন্ন রকম নাম দিয়ে । যেমন গুগল ডক্স , রেগুলার ক্লিপিনেশন ইত্যাদি। 

ChatGPT-এবং-Gemini-দিয়ে


উদাহরণস্বরূপ; ইমেইলের উত্তর রক্ষার জন্য নিজের প্রম্পট সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন ; নিচের ইমেইল মনোযোগ দিয়ে পড়ে প্যারাগ্রাফের বক্তব্য বুঝে একটি সংক্ষিপ্ত ভদ্র ও পেশাদার উত্তর বাংলায় তৈরি করা প্রয়োজন হলে আমার কাছে অতিরিক্ত উত্তর দাও । কোন তথ্য নিজ থেকে অনুমান করে যোগ করবে না। 

একইভাবে ব্লগে লেখার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট তৈরি জন্য কিংবা ভিডিও দেখার জন্য আলাদা আলাদা ফ্রন্ট সংরক্ষণ করুন। 

আপনি চাইলে নিজের প্রম্পট ব্যাংকে কয়েকটি বিভাগে ভাগ করতে পারেন। যেমন লেখালেখির জন্য এসইও ইমেইল , গবেষণা , পড়াশোনা এবং ব্যবসার জন্য। আপনার প্রয়োজনের সময় সঠিক প্রম্পটটি বযবহার করতে পারবেন।

উপসংহার

চ্যাটজিপিটি বা জেমিনি কোন সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য চ্যাটবট নয়। আপনি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন এগুলো দিয়ে আপনার দৈনন্দিন কাজের দক্ষতা বাড়বে ,  সময় বাঁচাবে এবং নতুন কাজের ধারণা তৈরি করতে পারবেন। বড় কাজকে ছোট ছোট ভাবে ভাগ করা , নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশনা সেট করা , ভয়েস ইমপোর্ট ও ছবি ব্যবহার করা , এআই দিয়ে আইডিয়া যাচাই করানো এবং তৈরি করে এই পাঁচটি পোস্ট আপনার কাজের ধরনকে আরো সহজ ও গুছানো করে তুলতে পারে ।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন , সব কাজের ১০ গুন দ্রুত হবে এমন কোন নিশ্চয়তা কিন্তু নেই  । কাজের ধরন এবং আপনার দক্ষতা ,এআইয়ের উত্তরের মানের উপর ফলাফল নির্ভর করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যাচাই করা জরুরী।

আজ থেকে এই দুটি কৌশল দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে নিজের কাজের মানানসই এই পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করতে শিখলে একে আরো কার্যকর ভাবে কাজে লাগাতে পারবেন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Tania Akter
Tania Akter
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির শিক্ষার্থী। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ২ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।