শিশুর হাম হলে করণীয় বাঁ প্রতিকার

ভূমিকাঃ শিশুর হাম হলে করণীয় 

বর্তমানে বাংলাদেশে হাম রোগের আক্রমণ কয়েক গুণ বেড়েছে ,যা গত বছর হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা মাত্র কয়েকজন ছিল । সেই তুলনায় এ বছর ২০২৬ সালে প্রথম তিন মাসে হামে আক্রান্ত সংখ্যা প্রায় ৭০০ এর উপরে কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চলতি বছর অনেক শিশু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে যা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যু মার্চ মাসে হয়েছে । বিশেষ করে রাজশাহী , চাপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের এর সংক্রমণ বেশি দেখা গেছে।

সূচিপত্র: শিশুর হাম হলে করণীয়।
হাম ও রুবেলা আসলে কি।
হামের প্রধান লক্ষণসমূহ ।
হাম ও রুবেলার জটিলতা । 
সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ ।
এম আর টিকার গুরুত্ব ।
টিকাদানের সময়সূচী 
আক্রান্ত শিশুর বিশেষ যত্ন ও খাদ্য তালিকা ।
প্রতিরোধে অভিভাবক ও সরকারের ভূমিকা ।
উপসংহার।

হাম ও রুবেলা আসলে কি
খাম ও রুবেলা দুটি ভাইরাসজনিত রোগ । দেখতে একই রকম হলেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
হাম বেশি গুরুতর সেইসাথে জটিলতা বেশি, হাম হলে বাচ্চার নিউমোনিয়া দেখা দেয় মস্তিষ্কের  সংক্রমণও হয়। হাম হলে জ্বর ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফরেন হাইট পর্যন্ত জ্বর থাকে, সর্দি কাশি চোখ লাল হওয়া । মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ , শরীরে লাল ফুসকুড়ি বের হয়ে যা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

রুবেলা অতটা সিরিয়াস না।রুবেলা হলে হালকা জ্বর, গলা ব্যাথা,কানের  পিছনে ফুলে যাওয়া ও শরীরে হালকা ফুসকুড়ি বের হয়।

 আক্রান্তের বর্তমান পরিসংখ্যান
২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই ৭০০ এর অধিক আক্রান্ত হয়েছে যা বাংলাদেশের সংক্রমণ ভয়াবহতা হয়ে দাড়িয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে চলতি বছর ৪০ থেকে ৫০ জন শিশু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে যার মধ্য বিশেষভাবে রাজশাহী ,চট্টগ্রাম ময়মনসিংহ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ । ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিকেলে রোগীদের চাপ দিন দিন বাড়ছে।

হামের প্রধান লক্ষণসমূহ ।
অত্যন্ত সংক্রমক একটি রোগ যা একটি রোগী থেকে 15 থেকে 18 জন মাঝে ছড়িয়ে যেতে পারে । প্রধান লক্ষণসমূহ হলো তীব্র জ্বর ,সর্দি ও কাশি  ,চোখ লাল হওয়া ও চোখ থেকে পানি পড়া, শরীরে লাল র‍্যাস বের হওয়া, মুখের ভেতর সাদা সাদা দাগ, শরীরে লাল র‍্যস বের হয়ে যা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
ছোট বাচ্চাদের  হামের জটিলতা অনেক । যেমন নিউমোনিয়া  ,ডায়রিয়া , কানের ইনফেকশন এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণ হতে পারে ।আরো গুরুতর হলেই শিশু মৃত্যুর হতে পারে ।


শিশুদের হাম সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ ।
শিশুদের হাম সংক্রমণ হঠাৎ করে বাড়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা কিছু কারণ চিহ্নিত করেছেন।
টিকাদানের ঘাটতি একটি কারণ ২০২৫ সালে নিয়মিত টিকাদানের হার প্রায় ৬০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল , হাম প্রতিরোধে কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ টিকা কাভারেজের প্রয়োজন হয়।

 টিকার সংকট ,গতবছর মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের সংকট  এবং টীকা সরবরাহ কম ছিল । এর জন্য শিশুরা নিয়মিত টীকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে ।
অপুষ্টি  ,শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার জটিলতার কারনে হামের জটিলতা এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে ।
 অভিভাবকদের অসচেতনতা , অভিভাবকদের  অসচেতনতার কারণে অনেক বাচ্চাকে টিকা  দিতে বিরত থেকেছে ।

শিশুর হাম হলে জটিলতার কারণ 
 শিশুর হাম হলে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না করালে জটিলতা সৃষ্টি হয়ে নিউমোনিয়ায় শিশুর বেশি মৃত্যু হয়। ভিটামিন A এর অভাব দেখা দেয়  ,অনেক সময় শিশুদের চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শিশুর চোখ অন্ধ হয়ে যায়। হাম হলে শিশুর মুখে ঘা হয়  ,এতে শিশুর খাবার রুচি নষ্ট হয়ে যায় ,শিশু খেতে পারেনা ,শিশু  দুর্বল হয়ে যায় । ডায়রিয়া হয়ে দীর্ঘদিন পাতলা পায়খানা হয় শিশু এতে দুর্বল হয় অনেক সময় শিশু মারা যায় ।

এম আর টিকার গুরুত্ব 
 এম আর টিকা হল হাম এবং রুবেলা প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকরী সুরক্ষা কবজ। বর্তমানে বাংলাদেশের এই রোগের সংক্রমণ বাড়ায় এ টিকার গুরুত্ব অপরিসীম।হাম অত্যন্ত সংক্রমক একটি রোগ।হাম থেকে নিউমোনিয়া , অন্ধত্ব , মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে। শিশু যদি এম আর টিকা গ্রহণ করে তাহলে ৯৭% মৃত্যু ঝুঁকি থেকে শিশুকে নিরাপদ রাখা যায়  । যখন একটি বিশাল অংশ ৯৫% এম আর টিকা গ্রহণ করে তখন ভাইরাসটির ছড়ানোর আর কোন মাধ্যম পাইনা । যারা অসুস্থতার কারণে টিকা নিতে পারে না , যারা খুব ছোট শিশু বা যাদের সিস্টেম দুর্বল  তারাও পরোক্ষভাবে নিরাপদ থাকে। 

রুবেলা শিশুর জন্য ভয়ংকর না হলেও গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ।গর্ভাবস্থায় কোন নারী রুবেলায় আক্রান্ত হলে তার সন্তান কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম নিয়ে জন্মাতে পারে  ,যার ফলে নবজাতকের হৃদরোগ , অন্ধত্ব বা বধিরতা দেখা দিতে পারে  । এম আর টিকা এই ঝুঁকি সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখে ।
এম আর টিকা নিলে শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে  শক্তিশালী  প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যার ফলে শিশু অন্যান্য রোগে সহজে আক্রান্ত হয় না ।
পরিসংখ্যানে দেখা যায় যেসব বাচ্চারা নিয়মিত এম আর টিকা দুটি ডোজ সম্পন্ন করেছে তাদের মধ্যে হামজনিত সংক্রমণের মৃত্যুহার শূন্যের কোঠায় । দেশে যে হাম সংক্রমণে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে তার বেশিরভাগই টিকা না নেওয়া বা অপূর্ণাঙ্গ টিকা নেওয়া শিশু। 

টিকাদানের সময়সূচী 
বাংলাদেশে সরকারি এম আর টিকাদানের দুটি ডোজ দেওয়া হয়।

প্রথম ডোজ শিশুর ৯ মাস পূর্ণ হলে ।
 দ্বিতীয় ডোজ শিশুর পনেরো মাস পূর্ণ হলে 
 হাম  রুবেলাসহ বাংলাদেশ সরকার ইপিআই [ EPI] অনুযায়ী শিশুদের যেসব টিকা দেওয়া হয়  সবগুলো টিকা নিয়মিত শিশুকে দিলে শিশু মারাত্মক রোগ থেকে যেমন যক্ষা, পোলিও্ ,হাম, নিউমোনিয়া ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা পায়।

 

বাংলাদেশের সরকারের টিকার সময়সূচী চার্ট আকারে দেওয়া হল ।
বয়স টিকার নাম কী রোগ প্রতিরোধ করে
জন্মের সময় BCG,OPV, Hepatitis B vaccine যক্ষ্মা ,পোলিও,হেপাটাইটিস বি
৬ সপ্তাহ Pentavalent vaccine, OPV ,IPV ,PCV ডিফথেরিয়া,হুপিং কাশি, টিটেনাস,হেপাটাইটিস বি,হিব।পোলিও, পোলিও ,নিউমোনিয়া
১০ সপ্তাহ Pentavalent vaccine ,OPV ,PCV ডিফথেরিয়া,হুপিং কাশি, টিটেনাস,হেপাটাইটিস বি,হিব। পোলিও,নিওমোনিয়া
১৪ সপ্তাহ Pentavalent vaccine ,OPV ,IPV ,PCV ডিফথেরিয়া,হুপিং কাশি, টিটেনাস,হেপাটাইটিস বি,হিব। পোলিও,পোলিও ,নিউমোনিয়া
৯ মাস MR vaccine হাম+রুবেলা
১৫ মাস MR vaccine হাম+রুবেলা[২য় ডোজ]


আক্রান্ত শিশুর বিশেষ যত্ন ও খাদ্য তালিকা 

 

হাম আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত সুস্থ করতে হলে তাকে পুষ্টিকর ও তরল জাতীয় খাবার বেশি করে দিতে হবে, কেননা এই সময় শিশুর হজম শক্তি কমে যায়। মুখে রুচি থাকেনা, তাকে অল্প অল্প করে বারবার খাবার দিতে হবে।যদি বুকের দুধ খায় তাহলে তাকে কোন অবস্থাতে বুকের দুধ বন্ধ করা যাবে না। বুকের দুধ খাওয়ালে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ডাবের পানি পান করাবেন। পাতলা পায়খানা হলে ওরস্যালাইন বা লেবু পানি দিবেন। হাম হলে শরীরের ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়,এসময় বেশি করে ভিটামিন এ যুক্ত খাবার দিবেন।মিষ্টি কুমড়া গাজর পেঁপে এ জাতীয় সবজি। ডাল ও সবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি সবচেয়ে ভালো,চিকেন স্যুপ,সবজি স্যুপ শিশুর রুচি ফিরাতে সাহায্য করে। শিশু খেতে চাইলে তাকে সিন্ধু ডিম, কাটাবিহীন  মাছ দিতে পারেন। দই দিতে পারেন,দই বদহজম ও পেটের সমস্যায় আরাম দেয় ।
ভিটামিন যুক্ত ফল দিতে পারেন। টক জাতীয় ফল মুখের রুচি ফেরাতে সাহায্য করে। যেমন কমলা, জাম্বুরা, আনারস। এর রস শিশু অনায়েসে খেতে পারবে। 
ভিটামিন এ যুক্ত ফল যেমন পাকাআম, কমলা কাঠাল ইত্যাদি ফল দিতে পারেন 
ভিটামিন এ ক্যাপসুল, নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অবশ্যই ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের বড় ধরনের জটিলতা থেকে মুক্তি দেয়  শিশুকে অবশ্যই  পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখুন,পর্যাপ্ত বিশ্রামে থাকতে দিন ও অন্যান্য শিশু থেকে আলাদা রাখুন। 
হাম আক্রান্ত শিশুকে অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার দিবেন না। বাইরের চিপস, চকলেট ও কোলড্রিংস এড়িয়ে চলুন। 


প্রতিরোধে অভিভাবক ও সরকারের ভূমিকা
হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এককভাবে সফল হওয়া সম্ভব না  ,এর জন্য অভিভাবক ও সরকারকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে , যেকোনো রোগ থেকে শিশুদের বাঁচাতে অভিভাবক কি হলো তার সুরক্ষা প্রাচীর ,অভিবাবকের  সচেতনতাই পারে শিশুর জীবন নিরাপদ রাখতে।
 এর জন্য শিশুকে ১ মাস থেকে ১৫ মাস পর্যন্ত ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী সবগুলো টিকা দিতে হবে ।টিকা কার্ড করে রেখে দিতে হবে যেন কোন ডোজ বাদ না পরে । আক্রান্ত শিশুকে ৭ থেকে ১০ দিন আলাদা রাখতে হবে , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।স্কুলে পাঠানো যাবে না । ভিটামিন এ  সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে । গুজবে কান দেওয়া যাবে না , বিজ্ঞানের তথ্যের উপর আস্থা রাখতে হবে  ।

হামের সংক্রমণ বেড়ে গেলে সরকারের দায়িত্ব ও বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে সরকারের প্রধান কাজ হল এম আর টিকা নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ রাখতে হবে ।ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিমান এম আর টিকা ও কোল্ড চেইন নিশ্চিত করা। বিশেষ টিকাদান   ক্যাম্পেন করে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেসব এলাকায় ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বাদ পড়া শিশুদের টিকা দিতে হবে । স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন এনজিও ওর কর্মীদের  মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে হবে।বছরে দুইবার ভিটামিন এ প্লাস  ক্যাম্পেইন করে বাচ্চাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এতে হামের সংক্রমণ রোধ হয়।
এছাড়া বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে শিশুদের জন্য মিজুলেস  আইসোলেশন এর ব্যবস্থা রাখতে হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে টেলিভিশন, রেডিওতেৎ সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে এবং মসজিদের মাইকে মাধ্যমে সচেতনতা মূলক বার্তা প্রচার করতে হবে। 
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই।
বর্তমানে বাংলাদেশে হামের টিকার ক্যাম্পেন ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ।এটা এখন ধাপে ধাপে চলছে .৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সরকার জরুরী ভাবে হামের টিকা দান শুরু করেছে।প্রথমে ১৮টি জেলায় ও ৩০ টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকা দেওয়া হচ্ছে।
১২ এপ্রিল থেকে বড় শহর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া হবে। ৩০ শে মে ২০২৬ সারাদেশে একসাথে টিকা দেওয়া শুরু হবে।

উপসংহার। 
 হাম ও রুবেলা কোন সাধারণ ব্যাধি না বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় ধরনের হুমকি। বর্তমানে বাংলাদেশে হাম ভাইরাসের প্রকোপ যে হারে বাড়ছে তা মোকাবেলা করার জন্য আতঙ্কিত না হয়ে সরকারের সাথে টিকাদান কর্মসূচিতে  স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করা প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব। আপনার শিশুর সুন্দর ও সুস্থ আগামী নিশ্চিত করতে পারে তাই সময়মতো টিকা দিন শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে
আমার লেখা যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে প্লিজ কমেন্ট করবেন এবং ভালো ভালো লেখার জন্য  কমেন্ট পড়ে অনুপ্রেরণা দিবেন। আরেকটি কথা আপনার শিশুকে কি এম আর টিকা দেওয়া হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Tania Akter
Tania Akter
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির শিক্ষার্থী। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ২ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।