আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন জেমিনি বাঁ চ্যাটজিপিটি থাকতে কনটেন্ট রাইটিং দিয়ে আর কি
হবে? মানুষের কি এতো সময় আছে আর্টিকেল পড়ার? কোনোকিছুর তথ্য জানতে চাইলে গুগল,চ্যাটজিপিটি বা জেমিনিতে সার্চ দিলেই তো পাওয়া যায়। কিন্ত এইসব এ্যাপ কি নিজে নিজে কোনো
প্রশ্নের সমাধান দিতে পারে? কখোনো না।
ইন্টারনেট যেসব তথ্য দেয় তা হলো মানুষের লেখা কন্টেন্ট পড়ে আইডিয়া নিয়ে তারপর উত্তর দেয়।
তবে আসল ঘটনা হলো যারা জেমিনি দিয়ে আর্টিকেল লেখায় তারি
পিছিয়ে পড়ছে আর যারা জেমিনিকে আইডিয়া মেশিন হিসেবে ব্যবহার করছে তারাই অনেক ভালো
করছে।
না , এ আই কখনোই সরাসরি কোনো টাকা পয়সা লেনদেন করেনা । এ আই প্রযুক্তি ব্যাবহার
বিভিন্ন কাজ ও তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করা যায় । সময় বাঁচে, এ আই
জেমিনি হলো এমন এক শক্তিশালী সহকারী যা আপনার কাজের গতি বাড়িয়ে দিবে ,
আপনার কাজের সময় বাঁচিয়ে দিবে এবং আপনার লেখার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিতে
সাহায্য করবে।
আরো পড়ুনঃ
অন্যান্য এআই থেকে কেন জেমিনি আলাদা
জেমিনি অন্যান্য ভাষার সাথে বাংলা ভাষায়ও দক্ষ । ব্যাকরণ খুব দক্ষতার
সাথে বুঝাতে পারে। জেমিনি থেকে বাংলায় যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সঠিক টা পাওয়া যায়।
্জেমিনি ফ্রিতেই অনেক প্রিমিয়ার টুলের কাজ করে দেয়। জেমিনি
গুগলের সরাসরি একটি অ্যাপস, তাই মাধ্যমে একদম লেটেস্ট তথ্য পাওয়া যায়।
কন্টেন্ট রাইটিং ও এস ইও অপ্টিমাইজেশন
বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং লিঙ্কডইন থেকে দেশি বিদেশি ক্লায়েন্ট খুঁজে
যাদের ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল প্রয়োজন তাদের আর্টিকেল লিখে দেওয়া। ধরেন
আপনি ১৫০০ শব্দের আর্টিকেল লিখবেন, আপনি নতুন রাইটার হলে আপনার ২-৩ দিন সময়
লাগবে গবেষণা করে লিখতে। জেমিনির থেকে তথ্য নিয়ে নিজের মতো করে লিখতে আপনার
১-২ঘন্টার মধ্যে একটি মানসম্মত আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
লোকাল ব্যবসার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সাপোর্ট
আপনার আশেপাশে অনেক ছোট ছোট ব্যাবসা আছে , আপনি তাদের হয়ে সোশ্যাল মিডিয়া
ম্যানেজমেন্ট করে দিতে পারবেন।জেমিনি দিয়ে পুরো মাসের কন্টেন্ট ক্যালেন্ডার
আকর্ষণীয় ক্যাপশন দিয়ে বিজ্ঞাপন তৈরি করে দিতে পারবেন।
মাইক্রো-নিশ ব্লগিং
আপনার নিজের একটি ব্লগ সাইড থাকলে আপনি সেই ব্লগে ছোট ছোট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
নিয়ে লিখবেন। যেমন লাইফ স্টাইল, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এইসব বিষয় নিয়ে ,জেমিনি
সমস্ত তথ্য গভীর থেকে গভীর তথ্য দিতে সাহায্য করে।
স্টেপ বাই স্টেপ প্রসেস ;যেভাবে কাজ শুরু করতে হয়
যেকোনো কাজ স্টেপ বাই স্টেপ শুরু করা উচিত. জেমিনির ক্ষেত্রেও তাই। শুরুতে
আপনি নিজে যেকোনো একটি দক্ষতা বেছে নিতে পারেন। হয় আপনি আর্টিকেল লিখবেন, নয়তো
সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করবেন।
জেমিনিকে আপনার পার্টনার বানিয়ে নিতে পারেন। তার কাছ থেকে একটি বিষয়ে কাজের
জন্য সাত দিনের একটা রুটিন বানিয়ে নিতে পারেন। যাতে সহজেই সেই কাজ্টি করতে
পারেন। টাকা পাওয়ার আগেই ৫-১০টি ডেমো কাজ করে রাখতে পারেন। মার্কেটপ্লেসে
আপওয়ার্ক, ফাইবার বা লোকাল ক্লায়েন্ট এর কাছে দ্রুত দেখাতে পারেন
আরো পড়ুন ঃ
আয় বৃদ্ধির গোপন কৌশল
জেমিনি থেকে ভালো আউটপুট পাওয়ার মূলমন্ত্র হলো সঠিক প্রম্পট বা নির্দেশ দেওয়া।
ইন্টারনেটে একটা বিষয় নিয়ে অনেক আর্টিকেল আছে। আপনি সেম বিষয় নিয়ে স্মার্ট ও
সঠিক তথ্য ব্যবহার করে ১৫০০ শব্দের আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করে রাখবেন।
প্রতিবন্ধকতা এবং সমাধান
অনেকেই বলে এ আই কনটেন্ট গুগল পছন্দ করে না।এটি আংশিক সত্য । আপনি
যদি জেমিনির লেখা হুবহু কপি করেন তবে আয় করতে পারবেন না ।এ কথাটা মনে রাখবেন।
সমাধান আছে, এর সমাধান হলো আপনি জেমিনি থেকে তথ্য নিবেন কিন্তু লেখা শুরুতে
এবং শেষে নিজের মতামত যোগ করবেন। আপনি লেখায় নিজের জীবনের ছোট ছোট গল্প জুড়ে
দিতে পারেন, যা জেমিনির দ্বারা কখনই সম্ভব না। এটাই আপনার লেখাকে ইউনিক করে
তুলবে।
নতুনদের জন্য পরামর্শ
টাকা আয় করাটা বড় কথা নয়, বড় কথা হল শুরু করেন।জেমিনি আপনাকে ম্যাপ
দেখাতে পারে কিন্তু পথটা আপনাকে হাঁটতে হবে ।আপনি যদি প্রতিদিন দুই থেকে তিন
ঘণ্টা সময় দেন এবংজেমিনি এ্যাপকে স্মার্টলি ব্যবহার করেন তবে দেখবেন কয়েক
মাসের মধ্যে আপনি আপনার আয়ের লক্ষণ মাত্র ছাড়িয়ে দিতে পারবেন।
উপসংহার
প্রযুক্তির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিন,। আর চুপ করে থাকা নয়।আজই জেমিনি ওপেন করুন
এবং তাকে জিজ্ঞেসই করুন আমি কিভাবে আমার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করতে পারি।
কিভাবে আমার জীবনে সময়টাকে আমি কাজে লাগাতে পারি। কিভাবে নতুন দমে নিজেকে তৈরি
করতে পারি।
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অর্ডিনারি আইটির শিক্ষার্থী।
তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।
২ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।
bosontobouryনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url